অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ – শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় নিয়মিত বেশি খাবার খেলে অতিরিক্ত শক্তি চর্বি হিসেবে জমতে পারে।
শারীরিক পরিশ্রমের অভাব – দীর্ঘ সময় বসে থাকা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা না করলে দৈনিক শক্তি খরচ কমে যায়।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস – ফাস্ট ফুড, ভাজাপোড়া, মিষ্টি ও চিনিযুক্ত পানীয় বেশি গ্রহণ ওজন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
অপর্যাপ্ত ঘুম – দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ক্ষুধা, খাদ্যাভ্যাস ও ওজন নিয়ন্ত্রণে প্রভাব পড়তে পারে।
বংশগত ও পরিবেশগত কারণ – জিনগত বৈশিষ্ট্য, পারিবারিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রা ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকিকে প্রভাবিত করতে পারে।
কিছু রোগ বা ওষুধের প্রভাব – কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যা বা নির্দিষ্ট ওষুধ ওজন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে; সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।
মানসিক চাপ ও উদ্বেগ – দীর্ঘদিন স্ট্রেসে থাকলে খাদ্যাভ্যাস ও ঘুমের পরিবর্তন হতে পারে, যা ওজন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
অনিয়মিত খাবারের অভ্যাস – খাবারের সময়সূচি অনিয়মিত হওয়া বা বারবার অতিরিক্ত খাবার খাওয়া ওজন নিয়ন্ত্রণ কঠিন করতে পারে।
দীর্ঘ সময় বসে থাকা – পড়াশোনা, কাজ, গেম বা ফোন ব্যবহারের কারণে দীর্ঘ সময় নিষ্ক্রিয় থাকলে দৈনিক শক্তি ব্যয় কমে যায়।
কম পুষ্টিকর খাবার বেশি খাওয়া – অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার, মিষ্টি ও উচ্চ-ক্যালোরির স্ন্যাকস ওজন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
বয়স ও শরীরের স্বাভাবিক পরিবর্তন – বয়সের সঙ্গে শরীরের শক্তির চাহিদা ও দৈনন্দিন কার্যকলাপের মাত্রা পরিবর্তিত হতে পারে।
পারিবারিক ও সামাজিক অভ্যাস – পরিবারের খাদ্যাভ্যাস, দৈনন্দিন রুটিন ও পরিবেশ শরীরের ওজনকে প্রভাবিত করতে পারে।