ঘুমের অভাব ও রাত জাগা — প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর ঠিকভাবে বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধার করতে পারে না। ফলে সকালে ঘুমঘুম ভাব, দুর্বলতা এবং সারাদিন ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ — পড়াশোনা, কাজ, পারিবারিক বা দৈনন্দিন চাপ দীর্ঘদিন চললে মানসিক ক্লান্তির পাশাপাশি শরীরেও শক্তির অভাব অনুভূত হতে পারে।
অসুষম ও অনিয়মিত খাবার — নিয়মিত খাবার না খাওয়া বা পুষ্টিকর খাবারের ঘাটতি হলে শরীর প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি পায় না। এতে দুর্বলতা ও কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে।
শারীরিক কার্যকলাপের অভাব — দীর্ঘ সময় বসে থাকা এবং নিয়মিত নড়াচড়া না করলে শরীর অলস লাগতে পারে এবং দৈনন্দিন কাজে দ্রুত ক্লান্তি আসতে পারে।
পর্যাপ্ত পানি না পান করা — শরীরে পানির ঘাটতি হলে মাথাব্যথা, দুর্বলতা, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং ক্লান্তি দেখা দিতে পারে।
অতিরিক্ত কাজ ও পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব — দীর্ঘ সময় কাজ বা পড়াশোনা করে বিরতি না নিলে শরীর ও মস্তিষ্ক দুটোই ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারে।
স্বাস্থ্যগত কারণ — দীর্ঘদিন ধরে অস্বাভাবিক ক্লান্তি, দুর্বলতা বা শক্তির অভাব থাকলে এর পেছনে স্বাস্থ্যগত কারণ থাকতে পারে। এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।